খালেদা জিয়া ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক

 

                                            () ১৯৯২ সালে বেগম খালেদা জিয়ার আমলে মিয়ানমার রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফেরত নিয়েছিল যা জানুয়ারী ২০২১ সালে মিয়ানমারের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বিষয়ক মন্ত্রী বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডঃ এ. কে. আব্দুল মোমেন কে পত্র লিখে উল্লেখ করেছেন।

() ১৯৯২ সালে ক্ষমতায় এসেই বেগম খালেদা জিয়া বহুপাক্ষিক বড্ড চুক্তি করেন।  এই চুক্তি না হলে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে তার গ্রহণযোগ্যতা অনেকটা হারিয়ে ফেলতো

সূত্র: বিডা হ্যান্ডবুক

() বিদেশী বিনিয়োগকারীদের যাতে আস্থা ও উৎসাহ তৈরী হয় সেই কারণে বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৪ সালে ৪ টি বহুপাক্ষিক আন্তঃসরকারী চুক্তি সাক্ষর করেন। এগুলো হলো: (ক)Agreement on Trade related Investment Measures (TRIMS)(খ)Bangladesh-Netherlands(গ) Bangladesh-Malaysia (ঘ) GATS যার ফলে বিদেশী বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরী হয় এবং বাংলাদেশ এক নতুন দিগন্তে প্রবেশ করে।   

সূত্র: বিডা হ্যান্ডবুক

 

() বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৫ সালে পাকিস্তানের সাথে, ১৯৯৬ সালে চীনের সাথে, ১৯৯৬ সালে বহুপাক্ষিক Singapore Ministerial Declaration, ২০০১ সালে ইরানের সাথে, ২০০১ সালে Doha Declaration, ২০০২ সালে থাইল্যান্ডের সাথে, ২০০৪ সালে সিঙ্গাপুরের সাথে, ২০০৫ সালে ভিয়েতনামের সাথে, ২০০৬ সালে ILO Tripartite Declaration On Multinational Enterprise, দ্বিপাক্ষিক/বহুপাক্ষিক বিনিয়োগ চুক্তি করেন। এই চুক্তিগুলোর ফলেই আজকে বিদেশী  বিনিয়োগ বাংলাদেশে প্রবাহিত হচ্ছে। কারণ এই দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ চুক্তিগুলি উভয় চুক্তি পক্ষের বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি গ্যারান্টির অর্পণ করে, যা হলো ন্যায্য এবং ন্যায়সঙ্গত আচরণ, বিদেশী বিনিয়োগ বাজেয়াপ্তকরণ থেকে সুরক্ষা এবং সুরক্ষার পাশাপাশি অর্থের বিনামূল্যে ট্রান্সফার সহ সকল ব্যবস্থাই বুঝায়। তিনি তাঁর রাষ্ট্রনায়কত্ব দূরদৃষ্টি দিয়েই বুঝতে পেরেছিলেন যে এই চুক্তি ছাড়া বিদেশী  বিনিয়োগ সম্ভব নয় এবং কর্মসংস্থানও হবে না   

 সূত্র: বিডা হ্যান্ডবুক