শেখ মুজিব আমলে


1 বাংলাদেশে বিচার বহির্ভুত হত্যাকান্ড প্রথম শুরু হয় ১৯৭৪ সালে তৎসময়কার বিপ্লবী বাহিনীর প্রধান সিরাজ সিকদার কে হত্যার মধ্য দিয়ে। শেখ মুজিবের বিরুধীতার কারণে প্রকাশ্য দিন দুপুরে রাখি বাহিনী ৪৫৪ তারিখে সিরাজ সিকদার কে হত্যা করে এবং তার পরে শেখ মুজিব ৭৮৬৮৭ তারিখে সংসদে দাঁড়িয়ে দম্ভোক্তি করে বলেছিলেন " কোথায় আজ সিরাজ সিকদার" সূত্র:
2 ডাকসু নির্বাচনে কোনোদিন-ই ব্যালট বাক্স ছিনতাই হয় নাই বা নির্বাচনে কারচুপি হয় নাই। তবে ব্যালট বাক্স ছিনতাই ও ডাকসু নির্বাচলে প্রথম কারচুপি হয় ১৯৭২ সালে যা শেখ মুজিবের বড় সন্তান শেখ কামালের নেতৃত্বে হয়েছিল আর দ্বিতীয়বার হয়েছিল ২০১৯ সালে, যেখানে আওয়ামী শিক্ষকরা পর্যন্ত এর সাথে জড়িত ছিল। রোকেয়া হলের প্রভোস্টের রুমে ছাত্রলীগের প্রার্থীর পক্ষে সিল মারা ব্যালট পাওয়া গিয়েছিলো। সূত্র:
3 বিচারহীনতার সংস্কৃতি বা ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ প্রথম চালু করেন শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে রক্ষী বাহিনী তৈরী করে এবং এই বাহিনী কে দায় মুক্তি দিয়ে ।
4 জাতীয় রক্ষী বাহিনী আইন (সংশোধিত),১৯৭৪ এর ৩ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, "এই আদেশ বা এর অধীন প্রণীত বিধি মেনে চলার জন্য সদা বিশ্বাসের দ্বারা সম্পন্ন বা উদ্দেশ্যপ্রাপ্ত যে কোনও কাজের জন্য বাহিনীর কোনও সদস্যের বিরুদ্ধে কোনও মামলা, মামলা বা অন্যান্য আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না।"
5 এই বিধান অনুসারে রক্ষী বাহিনী কর্তৃক যে কাউকে ইচ্ছামত গ্রেপ্তার করা যেতে পারে, তারা তাদের সমস্ত কার্যক্রমে যে কোনও বিচারিক তদারকি থেকে সুরক্ষিত থাকবেন। এই ক্ষতিপূরণ বিচার বিভাগকে কোনও আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ থেকে বিরত রেখেছে [৪] এই ক্ষতিপূরণ তাদের মরিয়া কর্মকে প্রশস্ত করেছে।
6 কোনো বৃদ্ধ ব্যক্তিকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনকারি কারা ? উঃ আওমীলীগ (২৪ মে ২০২০ কক্সবাজারের চকরিয়ার ঢেমশিয়ায় তুচ্ছ ঘটনা কে কেন্দ্র করে ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা আনসুর আলম এক বৃদ্ধ ব্যক্তি কে বিবস্ত্র করে। সূত্র: মানব জমিন ১০/০৬/২০২০ )
7 একজন মানুষের লাশের উপর নাচানাচি করার রেওয়াজ বাংলাদেশে ছিল না।কে চালু করেছে? উঃ আওমীলীগ (১/১১ সময় বিএনপির বিরুধ্যে আন্দোলন করতে গিয়ে বায়তুল মোকাররমের পাশে একজন নিরীহ মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করে ওই ব্যক্তির লাশের উপর আওয়ামী আন্দোলনকারীরা নাচানাচি করেছিল। সূত্র:
8 একজন মানুষের মৃত্যুর খবর জানার পর উল্লাস করে মিষ্টি খাবার রেওয়াজ বাংলাদেশে ছিল না।কারা চালু করেছিল ? উঃ আওমীলীগ। সূত্র:
9 একজন মানুষের কবরে হামলা করে দুআ সংবলিত বোর্ড ও নাম ফলক ভেঙে ফেলার পৈশাচিক মানসিকতা তো বাংলাদেশের মানুষের ছিল না। কারা শুরু করেছে এই ঘৃনীত কাজ ? উঃ আওয়ামীলীগ। সালাহ উদ্দিন কাদের চৌধুরীর কবরে এই কাজ করা হয়েছিল। সূত্র:
10 সংসদে সংসদে দাঁড়িয়ে মৃত মানুষের জন্য দুআ'র রেওয়াজ ছিল। সেই সেই সংসদে দাঁড়িয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমানের মৃত্যুর পর উনার অসুস্থতা নিয়ে অরুচিকর বক্তব্য কারা দিয়েছিলো ? উঃ আওয়ামীলীগ। সূত্র:
11 গুম হয়ে যাওয়া ইলিয়াস আলীর ছোট মেয়ের কান্নাকে অগ্রাহ্য করে কারা বলেছিলো ইলিয়াস আলী গুমের নাটক করছে। উনি লুকিয়ে আছেন বিএনপি নেত্রীর গুলশান অফিসে ? উঃ আওয়ামীলীগ। সূত্র:
12

কোনো বুদ্দিজীবির লাশ সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য শহীদ মিনারে নিতে কেউ কোনোদিন বাধা দেয়নি। কারা পিয়াস করিমের লাশ শহীদ মিনারে নিতে বাধা দিয়েছিলো ? উঃ আওয়ামীলীগ। সূত্র:


()

বাংলাদেশে মানুষের মৌলিক অধিকার প্রথম খর্ব করেছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।  তিনি ১৯৭৫ সালের জানুয়ারী মাসে যে বাকশাল গঠন করেছিলেন সেই বাকশালে বাংলাদেশের সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত অনুচ্ছেদ ১০২ এ যে মৌলিক অধিকার অর্থাৎ রীট দায়েরের অধিকার ছিল তা খর্ব করা হয়েছিল। 

()

১৯৭৫ সালের জানুয়ারী মাসে বাকশাল গঠনের মধ্য দিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান নিজেকে আজীবন প্রেসিডেন্ট হওয়ার সুযোগ তৈরী করেছিলেন

()

স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম বিচারহীনতার সংস্কৃতি বা ইনডেমনিটি আদেশ শেখ মুজিব তথা আওয়ামীলীগ শুরু করেছিলো।  শেখ মুজিব ৮ ফেব্রূয়ারি ১৯৭২ সালে 'Jatiyo Rakkhi Bahini Act, 1972" এর মধ্য দিয়ে এই বাহিনী গঠন করেছিলেন।

১৯৭৪ সালের মে মাসে একটি ঘটনা বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। মাত্র ১৭ বছরের এক কিশোরকে চার দিনের অত্যাচারের পরে 'নিখোঁজ' করা হয়েছে বলে জানা গেছে। আদালত রক্ষী বাহিনীকে 'আইনের বাইরে পরিচালিত' করার জন্য দোষী সাব্যস্ত করেছে। আদালতের এই রায় মুজিবকে বিরক্ত করেছিল এবং এ জাতীয় মামলায় হস্তক্ষেপ করার ক্ষমতা আদালত থেকে তিনি ছিনিয়ে নেন।

সেকারণে তিনি জাতীয় রক্ষী বাহিনী আইন সংশোধন করেছিলেন এবং  আইনের (সংশোধিত) ধারা -২ বলছে,

 

ধারা ৮ এ যাই থাকুক না কেন ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ (১৮৯৮ এর ভি ) অথবা অন্য কোনো আইন বলবৎ থাকা সত্ত্বেও যে কোন সময়ে আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোন অফিসার ৮ অনুচ্ছেদের অধীনে কোনও কার্য সম্পাদন করার সময় বিনা ওয়ারেন্টে থাকতে পারেন

আইনের ৩ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,

এই আদেশ বা এর অধীন প্রণীত বিধি মেনে চলার জন্য সদা বিশ্বাসের দ্বারা সম্পন্ন বা উদ্দেশ্যপ্রাপ্ত যে কোনও কাজের জন্য রক্ষী বাহিনীর কোনও সদস্যের বিরুদ্ধে কোনও মামলা বা অন্যান্য আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না। "

সুতরাং এই আইন দ্বারা রক্ষী বাহিনী কে তাদের কোনো কূ-কর্মের জন্য বিচার না করার অধিকার বা ইনডেমনিটি দিয়েছে। 

()স্বাধীনতার মাত্র ৪৫ দিনের মাথায় বাংলাদেশে প্রথম গুমের রাজনীতি শুরু করে শেখ মুজিব প্রশাসন।  ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারী বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী সাংবাদিক, লেখক ও  চলচ্চিত্র নির্মাতা জহির রায়হান কে গুমের শিকার হতে হয়েছিল। তাঁর পারিবারিক পরিচয় হলো তিনি ছিলেন অভিনেত্রী সুচন্দার স্বামী, কিংবদন্তি অভিনেত্রী ববিতার ভগ্নিপতি ও অভিনেত্রী শমী কায়সারের আপন চাচা।  ২১ ফেব্রুয়ারির ঐতিহাসিক আমতলা বৈঠকের সিদ্বান্ত মোতাবেক যে ১০ জন প্রথম ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে গ্রেফতার হন তাদের অন্যতম একজন ছিলেন জহির রায়হান। ১৯৭২ সালের ২৫ জানুয়ারী ঢাকা প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে জহির রায়হান বলেছিলেন যে, বুদ্ধিজীবি হত্যাকাণ্ডের নীল নকশা উদ্ঘাটনসহ মুক্তিযুদ্ধের সময়ের অনেক গোপন ঘটনার নথিপত্র প্রামাণ্য দলিল তার কাছে আছে, যা প্রকাশ করলে সদ্য স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশের মন্ত্রী সভায় ঠাঁই নেয়া অনেক নেতার কূ -কীর্তি ফাঁস হয়ে পড়বে। আগামী ৩০ জানুয়ারী সন্ধ্যায় এই প্রেস ক্লাবে ফিল্ম শো প্রমান করে দিবে মুক্তি যুদ্ধে কার কি ছবিটির ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এই ৩০ তারিখ-ই তিনি নিখোঁজ হন এবং তাঁকে আর কোনোদিন-ই খুঁজে পাওয়া যায় নাই। তার নিখোঁজের সংবাদ ১৯৭২ সালের ২ ফেব্রুয়ারী রোজ বুধবার সকল পত্রিকায় প্রথম পৃষ্ঠায় প্কাশিত হয়। 

জানা যায় ঐদিন সকালে রফিক নামে এক লোক জহির রায়হানের কায়েতটুলির বাসায় ফোন করে।  ফোনটি ধরেছিলেন তাঁর বোন ডাঃ সুরাইয়া। জহির রায়হানকে ডেকে ফোন ধরিয়ে দেন ডাঃ সুরাইয়া। ফোনে জহির রায়হানকে বলা হয়েছিল যে আপনার 'বড়দা' (শমী কায়সারের  বাবা শহীদুল্লাহ কায়সার) মিরপুর ১১ নম্বরে বন্দি আছেন। যদি তাঁকে বাঁচাতে চান তাহলে এক্ষুনি  মিরপুর চলে আসেন। ফোন পেয়ে তিনি গাড়ী নিয়ে রওয়ানা দেন এবং সাথে ছিলেন ছোটভাই জাকারিয়া হাবিব, চাচাতো ভাই শাহরিয়ার কবির (বর্তমান ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির নেতা), শ্যালক বাবুল (অভিনেত্রী সুচন্দার ভাই), আব্দুল হক (শমী কায়সারের মামা) ও আরো দুইজন। ভারতীয় সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ পুলিশ সেইদিন মিরপুর ১২ নম্বরে রেইড করার জন্য যাচ্ছিলো। সেকারণে তারা মিরপুর ২ নম্বরে জহির রায়হানদের আটকে দেয় তবে অনেক অনুরুধের পর তারা জহির রায়হানকে সঙ্গে নিয়ে যায় আর তাঁর সাথে থাকা বাকীরা বাড়ী ফিরে আসেন। এর পর থেকেই জহির রায়হানকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। ঘটনার দিন জহির রায়হান তার যে গাড়ীটা রেখে সেনাবাহিনীর সঙ্গে ভাইয়ের খোঁজে গিয়েছিলেন সেই গাড়ীটি পরদিন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের কাছে এর তালা ভাঙা অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিলো কিন্তু রহস্যজনকভাবে তাঁর নিখোঁজ হওয়ার সাথে সাথে তাঁর ডায়েরি, নোটবুক, কাগজপত্রের ফাইল এবং মুক্তিযুদ্ধের সময় চিত্রায়িত মূল্যবান ফিল্মফুটেজগুলো সহ বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কমিটির সমস্ত প্রামাণ্য চিত্রও  আর পাওয়া যায়নি।

জহির রায়হান নিখোঁজ হওয়ার মাস দেড়েক পর তার ভাই শহীদুল্লাহ কায়সার , তার স্ত্রী পান্না কায়সার (শমী কায়সারের মা), বড় বোন নাফিসা কবির, জহির রায়হানের স্ত্রী অভিনেত্রী সুচন্দা সহ  ১৯৭১ সালে নিহত বুদ্ধিজীবীদের পরিবারের অনেকে শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে দেখা করতে গেলে তিনি তাদের সবাইকে বঙ্গভবনের গেইটে অপেক্ষমান রাখেন। এক সময় শেখ মুজিব গেইটের সামনে এসে তাদের বিক্ষোভ ও দেখা করার কারণ জানতে চাইলে তাঁর সঙ্গে জহির রায়হানের বড় বোন নাফিসা কবিরের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়।  তখন শেখ মুজিব তাদের উদ্দ্যেশ্যে বলেন, অনেকে তো দালালি করে মরেছে। নাফিসা কবির তখন উত্তর দেন, বুদ্ধিজীবীরা কেউ দালালি করে মরেনি। দালালী যারা করেছে তারা এখনো বেঁচে আছে। সেই দালালদের বিচারের দাবি জানাতে এসেছি। এই কথাগুলো শমী কায়সারের মা (যিনি ওই উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের সময় তাদের সাথে ছিলেন) তার লেখা "মুক্তি যুদ্ধ: আগে ও পরে" বইয়ের ১৬৮ পৃষ্ঠায় লিখেছেন। এই ঘটনার পরে একদিন শেখ মুজিব জহির রায়হানের বড় বোন সফিস কবিরকে ডেকে নিয়ে বললেন, জহিরের নিখোঁজ নিয়ে এইরকম চিৎকার করলে তুমিও নিখোঁজ হয়ে যাবে। এই কথাটি আওয়ামী পন্থী পত্রিকা "দৈনিক আজকের কাগজ" এ ৮ ডিসেম্বর ১৯৯৩ সালে প্রকাশিত হয়।  জহির রায়হানের চাচাতো ভাই শাহরিয়ার কবির যিনি ১৯৭২ সালের ওই ঘটনার দিন জহির রায়হানের সাথে গিয়েছিলেন তিনি প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা সত্যজিৎ রায়কে বলেছেন যে জহির রায়হান নিখোঁজের পিছনে বিরাট ষড়যন্ত্র ছিল। তিনি আরো বলেন যে তিনি যতদূর জানেন জহির রায়হান বুদ্ধিজীবীদের হত্যার তদন্ত করতে গিয়ে এমন কিছু  তথ্য সংগ্রহ করেছিল যা অন্যের রথী-মহারথীর জন্য বিপজ্জনক ছিল। সেজন্য তাকে সরিয়ে ফেলার প্রয়োজন ছিল। জনাব শাহরিয়ার কবিরের এই বক্তব্য সাপ্তাহিক বিচিত্রায় ১৯৯২ সালের ১ লা মে প্রকাশিত হয়েছিল।  

ধর্ষণ

(১) স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম ধর্ষণ হয় ১৬ ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে। সেইদিন আওয়ামীলীগের ভাইয়েরা বিহারী নারীদের ধর্ষণ করে বিজয় উল্লাসে মেতে উঠে।

(২)তারপর অহরহ ধর্ষণ সংঘটিত হলেও উল্লেখযোগ্য হলো শহীদ মিনারের মতো পবিত্র স্থানে একটি পবিত্র দিনে অর্থাৎ ২১ শে ফেব্রূয়ারি ১৯৭৩ সালে আওয়ামীলীগের ভাইয়েরা দুই নারী কে ধর্ষণ করে মৃত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে ফেলে দিয়ে চলে যায়।

ভোট ডাকাতি, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়লাভ    

()পরাধীনতার শৃঙ্খলে থাকা অবস্থায়ও পাকিস্তান আমলে আমাদের অঞ্চলে কোনো ভোট চুরি হয় নাই। স্বাধীন বাংলাদেশে ভোট চুরি-ডাকাতি প্রথম হয় শেখ মুজিবের শাসনামলে ১৯৭৩ সালের জাতীয় নির্বাচনে।  সেইরকম হাজারো ঘটনার মধ্যে একটা ঘটনা খুবই উল্লেখযোগ্য হলো যে, ভোলা-৫ আসনে ১৯৭৩ সালের নির্বাচনে প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান এবং রণাঙ্গণের মুক্তিযুদ্ধা  বীর উত্তম মেজর হাফিজের বাবা জনাব ?????? .  তার আগেও এই আসন থেকে জনাব ????এমএলএ নির্বাচিত হয়েছিলেন ২ বার।  কিন্তু শেখ মুজিব যখন এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে গেলেন তখন  তাকে নমিনেশন জমা দিতে দেয়া হয়নি।  জনাব ??? কে আওয়ামী ভাইয়েরা কিডনাপ করে নিয়ে যায় এবং নমিনেশন দাখিলের সময় শেষ হয়ে যাবার পর তাকে ছেড়ে দেয়।  ফলে শেখ মুজিব বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এই আসন থেকে জয়লাভ করেন।