বিএনপি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল সংক্ষেপে বিএনপি,বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল। দেশের জাতীয়তাবাদী আদর্শের সাথে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

প্রতিষ্ঠাকাল    

প্রতিষ্ঠাতা   

প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক / চেয়ারপারসন   

প্রতিষ্ঠাকালীন মহাসচিব  

প্রতিষ্ঠাকালীন কার্য্যকরী সচিব

১ লা সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮      

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান        

জিয়াউর রহমান    

ডাঃ এ. কিউ. এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী

এম হামিদুল্লাহ খান

 

বিএনপি ১০ টি অঙ্গসংগঠন ও ৩টি সহযোগী সংগঠন নিয়ে গঠিত

অঙ্গসংগঠনগুলো হলো:

 

(১) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল

         প্রতিষ্ঠাকাল:

২৭ অক্টোবর ১৯৭৮

প্রথম আহ্বায়ক পরে সভাপতি:

আবুল কাশেম  

(মুক্তি যুদ্ধের সাব-সেক্টর কমান্ডার, মৃত্যু ১৭ জুলাই ২০২০)

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

সাইফুর রহমান

ঢাকা ইউনিটের প্রথম সভাপতি:

মীর্জা আব্বাস

ঢাকা ইউনিটের প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

কামারুজ্জামান আয়াত আলী

 

(২) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল

         প্রতিষ্ঠাকাল:

 

প্রথম আহ্বায়ক / সভাপতি:

 

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

 

 

 (৩) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল

         প্রতিষ্ঠাকাল:

 

প্রথম আহ্বায়ক / সভাপতি:

 

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

 

 

(৪)বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল

         প্রতিষ্ঠাকাল:

 

প্রথম আহ্বায়ক / সভাপতি:

 

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

 

 

 

 

 

 (৫) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলা দল

         প্রতিষ্ঠাকাল:

 

প্রথম আহ্বায়ক / সভাপতি:

 

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

 

 

(৬) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্র দল

         প্রতিষ্ঠাকাল:

১লা জানুয়ারী ১৯৭৯

 

প্রথম আহ্বায়ক / সভাপতি:

 

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

 

           

(৭) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা

         প্রতিষ্ঠাকাল:

 

প্রথম আহ্বায়ক / সভাপতি:

 

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

 

 

 (৮) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল    

         প্রতিষ্ঠাকাল:

 

প্রথম আহ্বায়ক / সভাপতি:

 

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

 

 

 (৯) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ওলামা দল

         প্রতিষ্ঠাকাল:

 

প্রথম আহ্বায়ক / সভাপতি:

 

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

 

 

 (১০) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মৎসজীবি দল

         প্রতিষ্ঠাকাল:

২৭ অক্টোবর ১৯৭৮

প্রথম আহ্বায়ক পরে সভাপতি:

আবুল কাশেম

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

সাইফুর রহমান

ঢাকা ইউনিটের প্রথম সভাপতি:

মীর্জা আব্বাস

ঢাকা ইউনিটের প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

কামারুজ্জামান আয়াত আলী

 

সহযোগী সংগঠনগুলো হলো

(১) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল

         প্রতিষ্ঠাকাল:

 

প্রথম আহ্বায়ক / সভাপতি:

 

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

 

(২) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম

         প্রতিষ্ঠাকাল:

 

প্রথম আহ্বায়ক / সভাপতি:

 

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

 

 

 (৩) ডক্টরস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডাব)

         প্রতিষ্ঠাকাল:

 

প্রথম আহ্বায়ক / সভাপতি:

 

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

 

 

সাংগঠনিক কাঠামোর গঠন পদ্ধতি

সাংগঠনিক ইউনিট

ন্যূনতম সদস্য সংখ্যা

নির্বাহী কমিটির সর্বোচ্ছ সদস্য সংখ্যা 

 মেয়াদকাল

গ্রাম

৫০ জন

২১ জন

২ বছর

ওয়ার্ড

১৫০ জন

৫১ জন

২ বছর

ইউনিয়ন

১৫০ জন

৫১ জন

২ বছর

উপজিলা

১৫০ জন এর অধিক

৭১ জন

২ বছর

পৌরসভা

১৫০ জন এর অধিক

৭১ জন

২ বছর

জেলা

-        

১০১ জন

২ বছর

সিটি কর্পোরেশন

-        

১০১ জন

২ বছর

জাতীয় নির্বাহী কমিটি

-        

২৫১ জন

২ বছর

জাতীয় স্থায়ী কমিটি

-        

১৫ জন

-        

 

বিএনপির সরকার গঠন

বিএনপি প্রথম সরকার গঠন:

১৯৭৯ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর

সংসদের প্রথম অধিবেশন:

২রা এপ্রিল ১৯৭৯ 

প্রেসিডেন্ট        

জিয়াউর রহমান        

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা:

শাহ আজিজুর রহমান

সংসদের স্পিকার:

মির্জা গোলাম হাফিজ

বিরোধী দলের নেতা:

আসাদুজ্জামান খান (আওয়ামী লীগ)

 

 

 

 

 

প্রথম স্থায়ী কমিটির সদস্যরা

সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ফোরাম হিসাবে ১ জন সদস্য নিয়ে একটি জাতীয় স্থায়ী কমিটি গঠন  করা হয়েছিল, যারা হলেন:

() জিয়াউর রহমান

 

() আবদুস সাত্তার

() শাহ আজিজুর রহমান

()মেজর জেনারেল (অব:)এম মাজিদ উল হক

() আবদুর রাজ্জাক চৌধুরী

() শেখ রাজ্জাক আলী

() ব্যারিস্টার মুহাম্মদ জামিরউদ্দিন সরকার

() একরামুল হক

() ডাঃ এঃ কিঃ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী

(১০) সৈয়দ মুহিবুল হাসান

(১১) ডাঃ আমিনা রহমান

(১২) এ.এস.এম. ইউসুফ

(১৩) ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা

 

দেশের আর্থ-সামাজিক মুক্তির লক্ষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রণীত ১৯ দফা কর্মসূচি

সর্বতোভাবে দেশের স্বাধীনতা, অখন্ডতা এবং সার্বোভৌমত্ব রক্ষা করা।

শাসন তন্ত্রের চারটি মূলনীতি অর্থ্যাৎ সর্বশক্তিমান আল্লাহর প্রতি সর্বাত্নক বিশ্বাস ও আস্থা, গনতন্ত্র,জাতীয়তাবাদ,সামাজিক ও অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার সমাজতন্ত্র জাতীয় জীবনে সর্বাত্নক প্রতীফলন।

সর্ব উপায়ে নিজেদেরকে একটি আত্ননির্ভরশীল জাতি হিসাবে গঠন করা।

প্রশাসনের সর্বস্তরে, উন্নয়ন কার্যক্রমে ও আইন শৃংঙ্খলা রক্ষার ব্যাপারে জনগনের অংশগ্রহন নিশ্চিত করা।

সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এর ভিত্তিতে কৃষি উন্নয়ন এর মাধ্যমে গ্রামীন তথা জাতীয় অর্থনীতিকে জোরদার করা।

দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ন করা এবং কেউ যেন ক্ষুধার্থ না থাকে তা নিশ্চিত করা।

দেশে কাপড় এর উৎপাদন বাড়িয়ে সকলের জন্য অন্তত মোট কাপড় নিশ্চিত করা।

কোন নাগরিক যেন গৃহহীন না থাকে তার যথাসম্ভব ব্যবস্থা করা।

দেশকে নিরক্ষরতার অভিশাপ থেকে মুক্ত করা।

১০

সকল দেশ বাসীর জন্য নূন্যতম চিকিৎসার ব্যবস্থা করা।

১১

সমাজে নারীর যথাযোগ্য মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা এবং যুবসমাজ কে সুসংহত করে জাতি গঠনে উদ্বুদ্ধ করা।

১২

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বেসরকারী খাতে প্রয়োজনীয় উৎসাহ দান।

১৩

শ্রমিকদের অবস্থার উন্নতি সাধন এবং উৎপাদন বৃদ্ধির সার্থে সুস্থ শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক গড়ে তোলা।

১৪

সরকারী চাকুরীজীবীদের মধ্যে জনসেবা ও দেশ গঠনের মনোবৃত্তি উৎসাহিত করা এবং তাদের আর্থিক অবস্তার উন্নয়ন করা

১৫

জনসংখ্যা বিস্ফোরন রোধ করা।

১৬

সকল বিদেশী রাষ্ট্রের সাথে সমতার ভিত্তিতে বন্ধুত্ব গড়ে তোলা এবং মুসলিম দেশ গুলোর সাথে সম্পর্ক জোড়দার করা।

১৭

প্রশাসন এবং উন্নয়ন ব্যবস্থা বিকেন্দ্রীকরন এবং স্থানীয় সরকার কে শক্তিশালী করা।

১৮

দূর্নীতিমুক্ত, ন্যায়নীতি ভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা কায়েম করা।

১৯

ধর্ম, গোত্র ও বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের অধিকার পূর্ন সংরক্ষন করা এবং জাতীয় ঐক্য ও সংহতি সুদৃঢ় করা।

 

মতাদর্শ

বিএনপি বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদকে তার মূল ধারণা হিসাবে ধারণ করে এবং ১৯-দফা কর্মসূচি গ্রহণ করে ঘোষণা করে যে,

"বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এবং স্বাধীনতা, ঐতিহাসিক মুক্তি সংগ্রামের সোনালী ফসল আমাদের পবিত্র আস্থা এবং অলঙ্ঘনীয় অধিকার"

বিএনপির ইশতেহারে বলা হয়েছে যে বাংলাদেশের মানুষ  দেখতে চান যে,সর্বশক্তিমান আল্লাহ, গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক ন্যায়বিচারের সমাজতন্ত্রের প্রতি সর্বাত্মক বিশ্বাস এবং আস্থা জাতীয় জীবনের সকল ক্ষেত্রে প্রতিফলিত হয়েছে"

১৯৯০ সালে স্বৈরতান্ত্রিক এরশাদ শাসনের বিরুদ্ধে গণজাগরণে বিএনপি এবং এর ছাত্র সংগঠনই চালিকা শক্তি ছিল যা বাংলাদেশে সামরিক শাসনের পতন এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের অবসান ঘটে। ১৯৮৩ সাল থেকে দলের চেয়ারপারসনের দায়িত্ব পালন করা বেগম খালেদা জিয়া  বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের পাকিস্তানের বেনজির ভুট্টোর পরে দ্বিতীয় মহিলা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন।

ইতিহাস

জাগদল

১৯৭৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি আবদুস সাত্তারকে সমন্বয়ক হিসাবে একটি নতুন দল, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) গঠিত হয়। এই জাগদলের বেশিরভাগ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ছিলেন সেই সময় দেশ পরিচালনা করা উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য জগদল-ই ছিল দেশের জাতীয়তাবাদীদের একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরির প্রথম প্রচেষ্টা। যারা এর সদস্য ছিলেন তার হলেন: মেজর জেনারেল (অব:) এম মাজিদ উল হক, অধ্যাপক সৈয়দ আলী আহসান, শামসুল আলম চৌধুরী, এ জেড এম এনায়েতুল্লাহ খান, এম হামিদুল্লাহ খান, জাকারিয়া চৌধুরী, অধ্যাপক ড: এম আর খান সাইফুর রহমান তবে ১৯৭৮ সালের ১লা মে "জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট" নামে  আরেকটি সংগঠন গঠিত হওয়ায় নবগঠিত জাতীয়তাবাদী ফ্রন্টের অধীনে জাগদলের সকল সদস্যদের একীকরণের জন্য ১৯৭৮ সালের ২৮ আগস্ট "জাগদল" কে ভেঙে দেওয়া হয়েছিল।

 

জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট

১৯৭৮ সালের ১ লা মে জিয়াউর রহমানকে ফ্রন্টের প্রধান করে "জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট" গঠিত হয় ন্যাপের (ভাসানী) একটি বড় অংশ পাশাপাশি মশিউর রহমানমুসলিম লীগ থেকে কয়েকজন সহকর্মীসহ শাহ আজিজুর রহমান, কাজী জাফর আহমেদ এবং ইউনাইটেড পিপলস পার্টির একটি অংশ, লেবার পার্টি সহ মাওলানা মতিন এবং তাফসিলি জাতীয় ফেডারেশনের সংখ্যালঘু নেতা রাশরাজ মন্ডলও এতে যোগ দিয়েছিলেন।

জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ৩রা জুনের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য জাতীয়তাবাদী ফ্রন্টের  প্রার্থী ছিলেন। জিয়াউর রহমান আওয়ামীলীগ সমর্থীত  গণতান্ত্রিক ঐক্য জোট (ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স) এর এম.. জি ওসমানীকে পরাজিত করে এই নির্বাচনে জয়ী হন।

 

বিএনপির গঠন

১৯৭৮ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পরে ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠিত হয়। জিয়াউর রহমানকে আহ্বায়ক, এম হামিদুল্লাহ খানকে কার্যনির্বাহী সচিব এবং ডাঃ এ. কিউ. এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে সেক্রেটারি জেনারেল করে দলের নীম্ন লিখিত সদস্যদের নিয়ে একটি আহ্বায়ক কমিটি করা হয়:

 

 

আহ্বায়ক কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যরা ছিলেন:

() জিয়াউর রহমান (আহ্বায়ক)

()  বিচারপতি আবদুস সাত্তার

() সৈয়দ মাসুদ রুমী

() মশিউর রহমান

() এম হামিদুল্লাহ খান (কার্যনির্বাহী সচিব)

()  শাহ আজিজুর রহমান

() মোহাম্মদ মুহামদুল্লাহ

() আবদুল হালিম চৌধুরী

() রাশরাজ মন্ডল

(১০) আবদুল মোমেন খান

(১১) মির্জা গোলাম হাফিজ

(১২) মেজর জেনারেল (অব:) এম মাজিদ উল হক

(১৩) ক্যাপ্টেন (অব:) নুরুল হক

(১৪) মোহাম্মদ সাইফুর রহমান

(১৫) কে এম এম ওবায়দুর রহমান

(১৬) ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ

(১৭) শামসুল হুদা চৌধুরী

(১৮) এ জেড.এম. এনায়েতুল্লাহ খান

(১৯) এস এ বারী

(২০) ডাঃ আমিনা রহমান

(২১) আবদুর রহমান

(২২) ডাঃ এম এ মতিন

(২৩) বাদল ঘোষ

(২৪) আবদুল আলীম

(২৫) ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত

(২৬) আনোয়ার হোসেন মঞ্জু

(২৭) জামাল উদ্দিন আহমেদ

(২৮) ডাঃ এঃ কিঃ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী (সেক্রেটারি জেনারেল)

(২৯) নুর মোহাম্মদ খান

(৩০) আবদুল করিম

(৩১) শামসুল বারী

(৩২) মজিবুর রহমান

(৩৩) ডাঃ ফরিদুল হুদা

(৩৪) শেখ আলী আশরাফ

(৩৫) আবদুর রহমান বিশ্বাস

(৩৬) ব্যারিস্টার আবদুল হক

(৩৭) ইমরান আলী সরকার

(৩৮) দেওয়ান সিরাজুল হক

(৩৯) এমদাদুর রহমান

(৪০) এম আফছার উদ্দিন

(৪১) কবির চৌধুরী

(৪২) ডাঃ এম আর আর খান

(৪৩) ক্যাপ্টেন (অব:) সুজাত আলী

(৪৪) তুষার কান্তি বারোই

(৪৫) সুনীল গুপ্ত

(৪৬) আনিসুর রহমান

(৪৭) আবুল কাশেম

(৪৮) মনসুর আলী সরকার

(৪৯) আবদুল হামিদ চৌধুরী

(৫০) মনসুর আলী

(৫১) জুলমত আলী খান

(৫২) ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা

(৫৩) মাহবুব আহমেদ

(৫৪) আবু সাইদ খান

(৫৫) মোহাম্মদ ইসমাইল

(৫৬) সিরাজুল হক মান্টু

(৫৭) শাহ বদরুল হক

(৫৮) আবদুর রউফ

(৫৯) মোর্শেদুজ্জামান

(৬০) জহির উদ্দিন খান

(৬১) সুলতান আহমেদ চৌধুরী

(৬২) তরিকুল ইসলাম

(৬৩) আনোয়ারুল এইচ খান চৌধুরী

(৬৪) মঈন উদ্দিন খান

(৬৫) এম এ সাত্তার

(৬৬) হাজী জালাল

(৬৭) আহমেদ আলী মন্ডল

(৬৮) শাহেদ আলী

(৬৯) আবদুল ওয়াদুদ

(৭০) শাহ আবদুল হালিম

(৭১) মুহাম্মদ জামিরউদ্দিন সরকার

(৭২) আতাউদ্দিন খান

(৭৩) আবদুর রাজ্জাক চৌধুরী

(৭৪) আহমেদ আলী