জিয়া ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক

                                   () জিয়াউর রহমানের আমলে ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে ট্রানজিট চুক্তি হয় যার ফলে নেপাল বাংলাদেশের মংলা বন্দর ব্যবহার করে ভারতের উপর দিয়ে পণ্য আমদানি করবে।  ওই চুক্তিতে বাংলাদেশের "বিরল" ও নেপালের রাধিকাপুর সহ ট্রানজিট পয়েন্ট হিসাবে ৬ টি রুট কে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এতে নেপালের পণ্য পরিবহনের ব্যয় কমার পাশাপাশি মংলা বন্দর ব্যবহারের চার্জ ও মাশুল ছাড়াও বাংলাদেশের ট্রানজিট পয়েন্ট অর্থাৎ "বিরল" পর্যন্ত দেশীয় যান ব্যবহার করে নেপালি পণ্য পরিবহন বাবত অর্থ পাবে বাংলাদেশ  

 

 

() বিদেশী বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার জন্য জিয়াউর রহমান-ই প্রথম ১৯৭৭ সালে ILO Tripartite Declaration on Multinational Enterprises বহুপাক্ষিক চুক্তি সাক্ষর করেন। বিদেশী বিনিয়োগকারীদের তাদের বিনিয়োগে স্বস্তি প্রদানের ক্ষেত্রে এই চুক্তি ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি  প্রথম ধাপ

সূত্র: বিডা হ্যান্ডবুক

 

(2) জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ হচ্ছে এর ৬ টি প্রধান  অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি অন্যতম  গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্টান যার কাজ হচ্ছে বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা বজায়  রাখা জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্র নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত মেনে চলতে বাধ্য নিরাপত্তা পরিষদ মোট ১৫ টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত এর ৫ টি স্থায়ী সদস্য হচ্ছে  যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও চীন  তাছাড়া, জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রদের ভোটে অঞ্চলভিত্তিক ১০ টি  অস্থায়ী সদস্য  নির্বাচিত হয়ে থাকে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে বাংলাদেশ ১৯৭৯-১৯৮০ সালের মেয়াদে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে শক্তিশালী জাপান কে হারিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছিল  

 

() দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ চুক্তিগুলি উভয় চুক্তি পক্ষের বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি গ্যারান্টির অর্পণ করে , যার মধ্যে ন্যায্য এবং ন্যায়সঙ্গত আচরণ, বাজেয়াপ্তকরণ থেকে সুরক্ষা, সম্পূর্ণ সুরক্ষা এবং সুরক্ষার পাশে অর্থের বিনামূল্যে ট্রান্সফার সহ

সূত্র: বিডা হ্যান্ডবুক

() জিয়াউর রহমান ১৯৮০ সালে যুক্তরাজ্যের সাথে ও ১৯৮১ সালে জার্মানী এবং BLEU (Belgium-Luxembourg Economic Union)এর সাথে দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ চুক্তি করেন। এই চুক্তিগুলোর ফলেই আজকে ইউরোপের বিনিয়োগ বাংলাদেশে প্রবাহিত হচ্ছে। কারণ এই দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ চুক্তিগুলি উভয় চুক্তি পক্ষের বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি গ্যারান্টির অর্পণ করে, যা হলো ন্যায্য এবং ন্যায়সঙ্গত আচরণ, বিদেশী বিনিয়োগ বাজেয়াপ্তকরণ থেকে সুরক্ষা এবং সুরক্ষার পাশাপাশি অর্থের বিনামূল্যে ট্রান্সফার সহ সকল ব্যবস্থাই বুঝায়। তিনি তাঁর রাষ্ট্রনায়কত্ব দূরদৃষ্টি দিয়েই বুঝতে পেরেছিলেন যে এই চুক্তি ছাড়া ইউরোপের বিনিয়োগ সম্ভব নয়।  

সূত্র: বিডা হ্যান্ডবুক