আওয়ামীলীগ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ উর্দু থেকে অনুবাদ বাংলাদেশ পিপলস লীগ, সাধারণত আওয়ামী লীগ বা আলীগ নামে পরিচিত।

১৯৪৯ সালে বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদী আবদুল হামিদ খান ভাসানী, শওকত আলী, ইয়ার মোহাম্মদ খান, এবং শামসুল হক দ্বারা পূর্ব বাংলার রাজধানী ঢাকায় নিখিল পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং পরে হুসেইন শহীদ সোহরাওয়ার্দী যোগ দিয়েছিলেন এবং তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীও হয়েছিলেন।

প্রতিষ্ঠাকাল

প্রতিষ্ঠাতা

প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক / সভাপতি

প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারন সম্পাদক

২৩ জুন, ১৯৪৯

মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী

মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী

জনাব শামসুল হক

 

আওয়ামী লীগ ১০ টি অঙ্গসংগঠন ও ৩টি সহযোগী সংগঠন নিয়ে গঠিত

অঙ্গসংগঠনগুলো হলো:

 

(১) আওয়ামী যুবলীগ  

         প্রতিষ্ঠাকাল:

২৭ অক্টোবর ১৯৭৮

প্রথম আহ্বায়ক পরে সভাপতি:

আবুল কাশেম

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

সাইফুর রহমান

ঢাকা ইউনিটের প্রথম সভাপতি:

মীর্জা আব্বাস

ঢাকা ইউনিটের প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

কামারুজ্জামান আয়াত আলী

 

(২) আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ

         প্রতিষ্ঠাকাল:

 

প্রথম আহ্বায়ক / সভাপতি:

 

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

 

 

 (৩) আওয়ামী কৃষক লীগ  

         প্রতিষ্ঠাকাল:

 

প্রথম আহ্বায়ক / সভাপতি:

 

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

 

 

(৪) জাতীয় শ্রমিক লীগ

         প্রতিষ্ঠাকাল:

 

প্রথম আহ্বায়ক / সভাপতি:

 

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

 

 (৫) আওয়ামী মহিলা লীগ  

         প্রতিষ্ঠাকাল:

 

প্রথম আহ্বায়ক / সভাপতি:

 

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

 

 

(৬) বাংলাদেশ ছাত্রলীগ  

         প্রতিষ্ঠাকাল:

১লা জানুয়ারী ১৯৭৯

 

প্রথম আহ্বায়ক / সভাপতি:

 

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

 

           

(৭) বাংলাদেশ আওয়ামী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা

         প্রতিষ্ঠাকাল:

 

প্রথম আহ্বায়ক / সভাপতি:

 

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

 

 

 (৮) আওয়ামী তাঁতী লীগ      

         প্রতিষ্ঠাকাল:

 

প্রথম আহ্বায়ক / সভাপতি:

 

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

 

 

 (৯) আওয়ামী ওলামা লীগ  

         প্রতিষ্ঠাকাল:

 

প্রথম আহ্বায়ক / সভাপতি:

 

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

 

 

 (১০) আওয়ামী মৎসজীবি লীগ

         প্রতিষ্ঠাকাল:

২৭ অক্টোবর ১৯৭৮

প্রথম আহ্বায়ক পরে সভাপতি:

আবুল কাশেম

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

সাইফুর রহমান

ঢাকা ইউনিটের প্রথম সভাপতি:

মীর্জা আব্বাস

ঢাকা ইউনিটের প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

কামারুজ্জামান আয়াত আলী

 

সহযোগী সংগঠনগুলো হলো

(১) আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা লীগ  

         প্রতিষ্ঠাকাল:

 

প্রথম আহ্বায়ক / সভাপতি:

 

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

 

 

(২) বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ  

         প্রতিষ্ঠাকাল:

 

প্রথম আহ্বায়ক / সভাপতি:

 

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

 

 

 (৩) স্বাধীনতা চিকিৎসা পরিষদ (সচিপ)

         প্রতিষ্ঠাকাল:

 

প্রথম আহ্বায়ক / সভাপতি:

 

প্রথম সাধারণ সম্পাদক:

 

 

আওয়ামীলীগের সরকার গঠন

স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পরে ১৯৭৩ সালে আওয়ামী লীগ প্রথম সাধারণ নির্বাচনে জয়লাভ করে এবং সরকার গঠন করে

 

প্রতিষ্ঠাকালীন উল্লেখ্যযোগ্য নেতৃবৃন্ধ

আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে উল্লেখযোগ্য নেতৃবৃন্ধ হলেনঃ

()আবদুল হামিদ খান ভাসানী

()শওকত আলী

()ইয়ার মোহাম্মদ খান

()শামসুল হক

()হুসেইন শহীদ সোহরাওয়ার্দী

 

আজ পর্যন্ত যারা সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক হয়েছেন তারা হলেনঃ

সভাপতি

সাধারন সম্পাদক

কার্য্যকাল

কার্য্যদিন

আবদুল হামিদ খান ভাসানী

 

শামসুল হক

 

২৩/০৬/১৯৪৯ থেকে  ২৭/০৭/১৯৫৬

৭ বছর ৩৪ দিন

হুসেইন শহীদ সোহরাওয়ার্দী

শেখ মুজিবুর রহমান

২৭/০৭/১৯৫৬ থেকে  ১০/১০/১৯৫৬

১ বছর ৭৫ দিন

আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ

শেখ মুজিবুর রহমান

১০/১০/১৯৫৭ থেকে  ২৫/০১/১৯৬৬

৮ বছর ১০৭ দিন

শেখ মুজিবুর রহমান

তাজউদ্দীন আহমেদ

জিল্লুর রহমান

২৫/০১/১৯৬৬ থেকে  ১৮/০১/১৯৭৪

৭ বছর ৩৫৮ দিন

মুহাম্মাদ কামরুজ্জামান

জিল্লুর রহমান

১৮/০১/১৯৭৪ থেকে

২৪/০২/১৯৭৫

১ বছর ৩৭ দিন

শেখ মুজিবুর রহমান সংবিধানে ৪র্থ সংশোধনী আনেন এবং আওয়ামীলীগ কে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়

সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীন (আহ্বায়ক)

বিশেষ কাউন্সিল

/০৪/১৯৭৭ থেকে  ১৬/০২/১৯৭৮

৩১৮ দিন

আব্দুল মালেক উকিল

আব্দুর রাজ্জাক

১৬/০২/১৯৭৮ থেকে ১৬/০২/১৯৮১  

৩ বছর

শেখ হাসিনা

আব্দুর রাজ্জাক

সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী

জিল্লুর রহমান

আব্দুল জলিল

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম

ওবায়দুল কাদের

১৬/০২/১৯৮১ থেকে  বর্তমান

৪০ বছর +++

 

আওমীলীগের প্রতিষ্টাতা সভাপতি হন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন / তিনি পরবর্তী  দু'টি সম্মেলনেও অর্থাৎ ১৯৫৩ ও ১৯৫৫ সালেও আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।

 

মতাদর্শ

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সুসংহত করা এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বকে উর্ধে তুলে ধরা  প্রজাতন্ত্রের মালিক হচ্ছে জনগণ জনগণের সাংবিধানিক অধিকারকে সমর্থন ও রক্ষা করা। রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা এবং কল্যাণ নিশ্চিত করা। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একটি অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তোলা। আওয়ামীলীগের মৌলিক নীতি হলো বাঙালী জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা যা সকল ধর্মের স্বাধীনতা, অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি, সমাজতন্ত্রের স্বাধীনতা ও এটি একটি শোষণমুক্ত সমাজ এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা

 

ইতিহাস

১৯৭১ সালের ১৬ ই ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হওয়ার আগে পর্য্যন্ত আওয়ামীলীগের নাম ছিল "আওয়ামী মুসলিম লীগ" কিন্তু স্বাধীনতার পর পর "মুসলিম" বাদ দিয়ে কেবল "আওয়ামীলীগ" রাখা হয়।  তার ধারাবাহিকতায় আওয়ামীলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম (এসএম ) হল থেকে "মুসলিম" বাদ দিয়ে সলিমুল্লাহ হল এবং কবি নজরুল ইসলাম কলেজ থেকে "ইসলাম" বাদ দিয়ে কবি নজরুল কলেজ নাম রাখে।

 

আওয়ামীলীগের বিলুপ্তি

১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারী শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামীলীগ জাতীয় সংসদে বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী আনে। এই সংশোধনীতে বাংলাদেশে আওয়ামীলীগ সহ সকল রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় কিন্তু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি বিলুপ্ত আওয়ামীলীগ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (মোজাফফর) এবং জাতীয় লীগ নিয়ে বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল) নামে একটি নতুন দল গঠন করেন। চতুর্থ সংশোধনীর মধ্য দিয়ে সকল রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ ঘোষিত হলেও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, পূর্ববাংলার সর্ববাহার পার্টি, পূর্ব বাংলা সাম্যবাদী দল-মার্ক্সবাদী-লেনিনবাদী (পূর্ববঙ্গ কমিউনিস্ট পার্টি মার্কসবাদী-লেনিনবাদী), পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি, এবং বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (লেনিনবাদী)বাকশালে যোগ না দিয়ে দলীয় রাজনীতি করার চেষ্টা চালিয়ে যায়।

বাকশালের মতাদর্শ

বাঙালি জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র ও একদলীয় রাষ্ট্র ব্যাবস্তা

 

বাকশালের পলিটব্যুরো কমিটিতে যারা ছিলেন তারা হলেন:

() শেখ মুজিবুর রহমান (চেয়ারম্যান)

() সৈয়দ নজরুল ইসলাম (ভাইস চেয়ারম্যান)

() মুহাম্মদ মনসুর আলী (সেক্রেটারি জেনারেল)

() আবুল হাসনাত মুহাম্মদ কামারুজ্জামান

() খোন্দকার মোশতাক আহমদ

() আবদুল মালেক উকিল

() প্রফেসর এম ইউসুফ আলী

() মনরঞ্জন ধর

() মোজাফফর আহমেদ চৌধুরী

(১০) শেখ আবদুল আজিজ

(১১) মহিউদ্দিন আহমেদ

(১২) গাজী গোলাম মোস্তফা

(১৩) জিল্লুর রহমান

(১৪) আবদুর রাজ্জাক

(১৫) শেখ ফজলুল হক মণি

 

তাছাড়া ১১৯ জন সদস্য নিয়ে একটি কেন্দ্রীয় কমিটিও গঠন করা হয়েছিল

এই কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যরা হলেনঃ

 

 

নাম্বার

নাম

পদবী / আসল পরিচয়

শেখ মুজিবুর রহমান

আওয়ামীলীগ

সৈয়দ নজরুল ইসলাম

আওয়ামীলীগ

এম মনসুর আলী

আওয়ামীলীগ

আব্দুল মালেক উকিল

আওয়ামীলীগ

খন্দকার মুশতাক আহমেদ 

আওয়ামীলীগ  

এ এইচ এম কামরুজ্জামান

আওয়ামীলীগ

মোঃ মুহাম্মাদ উল্লাহ

আওয়ামীলীগ

আব্দুস সামাদ আজাদ

আওয়ামীলীগ

প্রফেসর ইউসুফ আলী

জাতীয় শ্রমীক লীগ

১০

ফণী ভূষণ মজুমদার

জাতীয় কৃষক লীগ

১১

ডঃ কামাল হোসেন

আওয়ামীলীগ

১২

মোঃ সুহরাব হোসেন

আওয়ামীলীগ

১৩

আব্দুল মান্নান

আওয়ামীলীগ

১৪

আব্দুর রব সেরনিয়াবত

আওয়ামীলীগ

১৫

মনোরঞ্জন ধর

আওয়ামীলীগ

১৬

আব্দুল মোমেন খান

বিলুপ্ত জাতীয় কংগ্রেস

১৭

আসাদুজ্জামান খান 

আওয়ামীলীগ

১৮

এম কোরবান আলী

আওয়ামীলীগ

১৯

ডঃ এ আর মল্লিক

শিক্ষাবিদ

২০

ডঃ মুজাফফর আহমদ চৌধুরী

শিক্ষাবিদ

২১

তোফায়েল আহমেদ

জাতীয় যুবলীগ

২২

শাহ্মুয়াজ্জেম হোসেন

আওয়ামীলীগ

২৩

আব্দুল মোমিন তালুকদার

আওয়ামীলীগ

২৪

দেওয়ান ফরিদ গাজী

আওয়ামীলীগ

২৫

প্রফেসর নুরুল ইসলাম চৌধুরী

আওয়ামীলীগ

২৬

তাহের উদ্দিন ঠাকুর

আওয়ামীলীগ

২৭

মোসলেম উদ্দিন খান

আওয়ামীলীগ

২৮

নুরুল ইসলাম মঞ্জুর

আওয়ামীলীগ

২৯

কে এম ওবায়দুর রহমান

আওয়ামীলীগ

৩০

ডাঃ ক্ষিতীশ চন্দ্র মণ্ডল

আওয়ামীলীগ

৩১

রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (ভোলা মিয়া)

আওয়ামীলীগ

৩২

এম বায়তুল্লা

ডেপুটি স্পিকার

৩৩

রুহুল কুদ্দুস

মুখ্য সচিব, রাষ্ট্রপতির সচিবালয়

৩৪

জিল্লুর রহমান

আওয়ামীলীগ

৩৫

মহিউদ্দিন আহমেদ

এমপি

৩৬

শেখ ফজলুল হক মনি

আওয়ামীলীগ

৩৭

আব্দুর রাজ্জাক

আওয়ামীলীগ

৩৮

শেখ শহিদুল ইসলাম

জাতীয় ছাত্রলীগ

৩৯

আনোয়ার চৌধুরী

আওয়ামীলীগ

৪০

বেগম সাজেদা চৌধুরী

জাতীয় মহিলা লীগ

৪১

তসলিমা আবেদ

জাতীয় মহিলা লীগ

৪২

আব্দুর রহিম

এমপি, দিনাজপুর

৪৩

আব্দুল আউয়াল

এমপি, রংপুর

৪৪

লুৎফর রহমান

এমপি, রংপুর

৪৫

এ কে মজিবুর রহমান

এমপি, বগুড়া

৪৬

মফিজ চৌধুরী

এমপি, বগুড়া

৪৭

ডাঃ আলাউদ্দিন

এমপি, রাজশাহী

৪৮

আহসাবুল হক

এমপি, কুষ্টিয়া

৪৯

আজিজুর রহমান আক্কাস

এমপি, কুষ্টিয়া

৫০

রওশন আলী

এমপি,যশোহর

৫১

শেখ আব্দুল আজিজ

এমপি, খুলনা

৫২

সালাউদ্দিন ইউসুফ

এমপি, খুলনা

৫৩

মাইকেল সুশীল অধিকারী

এমপি, খুলনা

৫৪

কাজী আবুল কাশেম

এম পি, পটুয়াখালী

৫৫

মোল্লা জালাল উদ্দিন আহমদ

এমপি, ফরিদপুর

৫৬

শামসুদ্দিন মোল্লা

ফরিদপুর

৫৭

গৌড় চন্দ্র বালা

ফরিদপুর

৫৮

গাজী গোলাম মোস্তফা

এমপি, ঢাকা সিটি

৫৯

শামসুল হক

এমপি, ঢাকা

৬০

শামসুজ্জোহা

এমপি, ঢাকা

৬১

রফিক উদ্দিন ভুঁইয়া

এম পি, ময়মনসিংহ

৬২

সৈয়দ আহমদ

ময়মনসিংহ

৬৩

শামসুর রহমান খান

এমপি, টাংগাইল

৬৪

নুরুল হক

এমপি, নোয়াখালী

৬৫

ক্যাপ্টেন সুজাত আলী  

এম পি, কুষ্টিয়া     

৬৬

কাজী জহিরুল কাইয়ুম

এমপি, কুমিল্লা

৬৭

এম আর সিদ্দিকি

এমপি, চট্রগ্রাম

৬৮

এম এ ওয়াহেদ

এমপি, চট্রগ্রাম

৬৯

চিত্ত রঞ্জন সুতার

এম পি

৭০

সৈয়দা রাজিয়া বানু

এমপি

৭১

আতাউর রহমান খান

এমপি

৭২

খন্দকার মোহাম্মদ ইলিয়াস

পাবনা

৭৩

মং প্রু সাইন

পার্বত্য চট্রগ্রাম

৭৪

প্রফেসর মোজাফ্ফর আহমদ

ন্যাপ

৭৫

আতাউর রহমান

ন্যাপ

৭৬

পীর হাবিবুর রহমান

ন্যাপ

৭৭

সৈয়দ আলতাফ হোসেন

এমপি, ন্যাপ

৭৮

মোহাম্মদ ফরহাদ

কম্যুনিস্ট পার্টি

৭৯

বেগম মতিয়া চৌধুরী

কম্যুনিস্ট পার্টি

৮০

হাজী মোহাম্মদ দানেশ

ন্যাপ ভাসানী

৮১

তওফিক ইমাম

সচিব, মন্ত্রী পরিষদ

৮২

নুরুল ইসলাম

সচিব, বহিবানিজ্য মন্ত্রনালয়

৮৩

ফয়েজ উদ্দিন আহমদ

সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়

৮৪

মাহবুবুর রহমান

সচিব, সংস্থাপন মন্ত্রনালয়

৮৫

আব্দুল খালেক

সচিব, উপ-রাষ্ট্রপতির দফতর

৮৬

মুজিবুল হক

সচিব, প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়

৮৭

আব্দুর রহিম

সচিব, রাষ্ট্রপতির সচিবালয়

৮৮

মইনুল ইসলাম

সচিব, পূর্ত মন্ত্রনালয়

৮৯

সৈয়দুজ্জামান

সচিব, পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়

৯০

আনিসুজ্জামান

সচিব, কৃষি মন্ত্রনালয়

৯১

ডঃ এ সাত্তার

সচিব, রাষ্ট্রপতির সচিবালয়

৯২

এম এ সামাদ

সচিব, যোগাযোগ মন্ত্রনালয়

৯৩

আবু তাহের

সচিব, ভূমি প্রশাসন মন্ত্রনালয়

৯৪

আল হোসেইনি

সচিব, বিদ্যুৎ মন্ত্রনালয়

৯৫

ডাঃ টি হোসেন

সচিব, স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়

৯৬

মতিউর রহমান

চেয়ারম্যান, টিসিবি

৯৭

মেজর জেনারেল শফি উল্লাহ

সেনাবাহিনী প্রধান

৯৮

এয়ার ভাইস মার্শাল খন্দকার

বিমানবাহিনী প্রধান

৯৯

কমোডোর এম এইচ খান

নৌবাহিনী প্রধান

১০০

মেজর জেনারেল খলিলুর রহমান

ডিজি, বিডিআর

১০১

নাজির উদ্দিন আহমদ

গভর্নর, বাংলাদেশ ব্যাংক

১০২

ডঃ মতিন চৌধুরী

উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

১০৩

ডঃ মাজহারুল ইসলাম

উপাচার্য,রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

১০৪

ডঃ এনামুল হক

উপাচার্য, জাহাঙ্গীরনগর  বিশ্ববিদ্যালয়

১০৫

সৈয়দ হোসেন

অতিরিক্ত সচিব,সংস্থাপন মন্ত্রনালয় 

১০৬

নুরুল ইসলাম

আইজি, পুলিশ বাহিনি

১০৭

ডঃ নীলিমা ইব্রাহীম

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ

১০৮

ডাঃ নুরুল ইসলাম

পরিচালক, পিজি ইন্সিটিউট

১০৯

ওবায়দুল  হক

সম্পাদক, বাংলাদেশ অবজারভার

১১০

আনোয়ার হোসেন মঞ্জু

সম্পাদক, দৈনিক ইত্তেফাক

১১১

মিজানুর রহমান

সম্পাদক, বিপিআই

১১২

মনোয়ারুল ইসলাম

যুগ্ম সচিব, রাষ্ট্রপতির সচিবালয়

১১৩

ব্রিগেডিয়ার নুরুজ্জামান

ডিজি, জাতীয় রক্ষী বাহিনী 

১১৪

কামরুজ্জামান

সভাপতি, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি

১১৫

ডাঃ মাজহার আলী কাদেরি 

চিকিৎসক সমিতি

১১৬

কাজী লিংকন

আওয়ামীলীগ

১১৭

কাজী আব্দুল হাকিম

আওয়ামীলীগ

১১৮

বাদল ঘোষ

আওয়ামীলীগ

১১৯

আবু তাহের ভূঁইয়া

আওয়ামীলীগ

 

তাছাড়া, ১৯৭৫ সালের ১৭ জুলাই "বাকশাল" এর নিয়মের অংশ হিসাবে ৬১ জন জেলা গভর্নর নিয়োগ দেওয়া হয় এবং ১লা সেপ্টেম্বর থেকে গভর্নররা দায়িত্ব গ্রহণ ও কার্য্যক্রম শুরু করেন।  এই ৬১ জন গভর্নর নিম্নের পেশা থেকে মনোনয়ন করা হয়

 

(১) সামরিক অফিসার             - ১ জন  (কর্নেল আনোয়ার উল্লাহ )

(২) উপজাতীয় প্রধান              - ২ জন

(৩) সাবেক এম সি এ             - ৫ জন

(৪) আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ       - ৭ জন 

(৫) সরকারি কর্মচারী              - ১৩ জন

(৬) জাতীয় সংসদ সদস্য            - ৩৩ জন

জিয়াউর রহমান "বাকশাল" এর কোনো কমিটি তে ছিলেন না। 

কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম কে রাজনীতিবিদদের কোটায় টাঙ্গাইলের গভর্নর নিয়োগ করা হয়। 

ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন বাকশালের বিরোধিতা করে সংসদ থেকে পদত্যাগ করেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার পরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনেক পট পরিবর্তন হতে থাকে এবং অনেক পথ পরিক্রমায় জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে ৬ এপ্রিল ১৯৭৯ সালে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে বহুদলীয় গণতন্ত্রের সূচনা করেন।